শুক্রবার, ৮ মে, ২০১৫
মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০১৫
শনিবার, ২ মে, ২০১৫
হযরত জীবরাঈল (আঃ) চব্বিশ হাজার বার পৃথিবীতে আসবে
হযরত জীবরাঈল (আঃ) চব্বিশ হাজার
বারপৃথিবীতে আসবে ?
তিনি বললেন, ১০ বার আসব
এবং প্রতিবারই একটি করে জিনিস
#তুলে নিবে ।
দশম
জিনিসটা তুলে নেওয়ার পর
ঈসরাফিল (আঃ) সিঙ্গায়
ফুঁ দিবেন এবং কিয়ামত
আরম্ভ হবে ।
জিনিস ১০ টি হলো এই.......
1/বরকত তুলে নেব।
2/ইবাদত থেকে মজা তুলে নেব ।
3/পরস্পর মহব্বত তুলে নেব ।
4/লজ্জা তুলে নেব ।
5/হক বিচার তুলে নেব ।
মানুষ ঘুষ
খেয়ে মিথ্যা সাক্ষী দিবে ৷
না হক বিচার হবে ।
6/সবর
তুলে নেব ।
7/আলেম থেকে সত্য তুলে নেব।
অর্থাৎ একদল আলেম জেনেও
হক কথা বলবে না ।
8/ধনীদের সৎ সাহস উঠিয়ে নেব
9/ঈমান থাকবে না ।
ঈমান
উঠে যাবে ।
10/ক্বারীদের কাছ থেকে কুরআনের
তেলাওয়াত তুলে নেব ।
বারপৃথিবীতে আসবে ?
তিনি বললেন, ১০ বার আসব
এবং প্রতিবারই একটি করে জিনিস
#তুলে নিবে ।
দশম
জিনিসটা তুলে নেওয়ার পর
ঈসরাফিল (আঃ) সিঙ্গায়
ফুঁ দিবেন এবং কিয়ামত
আরম্ভ হবে ।
জিনিস ১০ টি হলো এই.......
1/বরকত তুলে নেব।
2/ইবাদত থেকে মজা তুলে নেব ।
3/পরস্পর মহব্বত তুলে নেব ।
4/লজ্জা তুলে নেব ।
5/হক বিচার তুলে নেব ।
মানুষ ঘুষ
খেয়ে মিথ্যা সাক্ষী দিবে ৷
না হক বিচার হবে ।
6/সবর
তুলে নেব ।
7/আলেম থেকে সত্য তুলে নেব।
অর্থাৎ একদল আলেম জেনেও
হক কথা বলবে না ।
8/ধনীদের সৎ সাহস উঠিয়ে নেব
9/ঈমান থাকবে না ।
ঈমান
উঠে যাবে ।
10/ক্বারীদের কাছ থেকে কুরআনের
তেলাওয়াত তুলে নেব ।
শুক্রবার, ১ মে, ২০১৫
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করল, ইসলামের কোন কাজ সবচাইতে উত্তম? তিনি বললেন, তুমি লোকদের আহার করাবে এবং পরিচিত অপরিচিত নির্বিশেষে সকলকে সালাম করবে।"-বুখারী, ২৭
Continue reading...
Continue reading...
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৫
রাসূল (সাঃ) বলেছেন,"লজ্জা ঈমানের অঙ্গ বিশেষ আর ঈমানের স্থান হল জান্নাত। অমার্জিত ও কটুভাষা হচ্ছে দুর্ব্যবহারের অন্তর্ভক্ত। আর দুর্ব্যবহারের স্থান হচ্ছে জাহান্নাম।"
রাসূল (সাঃ) বলেছেন,"লজ্জা ঈমানের অঙ্গ বিশেষ আর ঈমানের স্থান হল জান্নাত। অমার্জিত ও কটুভাষা হচ্ছে দুর্ব্যবহারের অন্তর্ভক্ত। আর দুর্ব্যবহারের স্থান হচ্ছে জাহান্নাম।"
তিরমিজী
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৫
জাহান্নামের সবচেয়ে হালকা শাস্তিঃ
জাহান্নামের সবচেয়ে হালকা শাস্তিঃ
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কিয়ামতের দিন জাহান্নামীদের মধ্যে সব চাইতে লঘু শাস্তি প্রাপ্ত ব্যক্তির শাস্তির হবে এই যে, তার দুই পায়ের তালুর নিচে আগুনের একটি আঙ্গার রাখা হবে এবং তাতে তার মস্তিষ্ক সিদ্ধ হতে থাকবে। সে মনে করবে, তার চাইতে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি আর কেউ হয় নি। অথচ সে-ই জাহান্নামীদের মধ্যে সব চাইতে হালকা শাস্তি প্রাপ্ত। (সুত্রঃ- সহীহ বুখারীঃ ৬৫৬১)
হে আল্লাহ, জাহান্নামের ভয়ঙ্কর আজাব থেকে আমাদেরকে রক্ষা করুন। আমিন...।links
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কিয়ামতের দিন জাহান্নামীদের মধ্যে সব চাইতে লঘু শাস্তি প্রাপ্ত ব্যক্তির শাস্তির হবে এই যে, তার দুই পায়ের তালুর নিচে আগুনের একটি আঙ্গার রাখা হবে এবং তাতে তার মস্তিষ্ক সিদ্ধ হতে থাকবে। সে মনে করবে, তার চাইতে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি আর কেউ হয় নি। অথচ সে-ই জাহান্নামীদের মধ্যে সব চাইতে হালকা শাস্তি প্রাপ্ত। (সুত্রঃ- সহীহ বুখারীঃ ৬৫৬১)
হে আল্লাহ, জাহান্নামের ভয়ঙ্কর আজাব থেকে আমাদেরকে রক্ষা করুন। আমিন...।links
সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৫
নেপাল কম্পনে কম্পিত
যখন পৃথিবী তার অাপন কম্পনে কম্পিত হবে, যখন সে তার বোঝা সমূহ্ বের করে দেবে, এবং মানুষ বলবে এর কি হলো, সেদিন সে তার বিত্তান্ত বর্ণনা করবে, কারন আপনার পালনকর্তা তাকে আদেশ করবেন।
(সুরাঃ যিলযাল ৯৯ঃ ১-৫) www.islamprochers.BlogSpot.in
(সুরাঃ যিলযাল ৯৯ঃ ১-৫) www.islamprochers.BlogSpot.in
ভুমিকম্প
<<<<<< ব্রেকিং নিউজ >>>>>>>
আবারো ভুমিকম্প........
এ নিয়ে টানা তিনদিন হয়ে গেলো ভুমিকম্পের ।
এবার ভুমিকম্পের উতপত্তিস্থল নেপাল ।
মাত্রা ৪.২
সবাই আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন ।
আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন ।
আমিন। WWW.BlogSpot.in
শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৫
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৫
বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৫
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৫
যদি মেয়েরা বলে নামাজী ছেলে
পৃথিবীতে ৯৯% ছেলে নামাজি হবে
যদি মেয়েরা বলে নামাজী ছেলে
ছাড়া বিয়ে
করব না।
আর ৯৯% মেয়ে পর্দাশীল হবে
যদি ছেলেরা বলে পর্দাশীল মেয়ে
ছাড়া বিয়ে করব না। fb.com/islamprochers
যদি মেয়েরা বলে নামাজী ছেলে
ছাড়া বিয়ে
করব না।
আর ৯৯% মেয়ে পর্দাশীল হবে
যদি ছেলেরা বলে পর্দাশীল মেয়ে
ছাড়া বিয়ে করব না। fb.com/islamprochers
সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৫
হাদিস
৩৪২। ইয়াহইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আবূ যার (রাঃ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমার ঘরের ছাদ খুলে দেয়া হল। তখন আমি মক্কায় ছিলাম। তারপর জিবরাঈল (আ) এসে আমার বক্ষ বিদীর্ণ করলেন। আর তা যমযমের পানি দিয়ে ধুইলেন। এরপর হিকমত ও ঈমানে পরিপূর্ণ একটি সোনার পাত্র নিয়ে আসলেন এবং তা আমার বক্ষে ঢেলে দিয়ে বন্ধ করে দিলেন। তারপর হাত ধরে আমাকে দুনিয়ার আসমানের দিকে নিয়ে চললেন। যখন দুনিয়ার আসমানে পৌঁছালাম, তখন জিবরাঈল (আ) আসমানের রক্ষক কে বললেনঃ দরযা খোল। তিনি বললেনঃ কে? উত্তর দিলেনঃ আমি জিবরাঈল, আবার জিজ্ঞাসা করলেনঃ আপনার সঙ্গে আর কেউ আছে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, আমার সঙ্গে মুহাম্মদ। তিনি আবার বললেনঃ তাঁকে কি আহবান করা হয়েছে? তিনি উত্তরে বললেনঃ হাঁ। তারপর আসমান খোলা হলে আমরা প্রথম আসমানে উঠলাম। সেখানে দেখলাম, এক লোক বসে আছেন এবং অনেকগুলো মানুষের আকৃতি তাঁর ডান পাশে রয়েছে এবং অনেকগুলো মানুষের আকৃতি বাম পাশেও রয়েছে। যখন তিনি ডান দিকে তাকাচ্ছেন, হাসছেন আর যখন তিনি বাম দিকে তাকাচ্ছেন, কাঁদছেন। তিনি বললেনঃ খোশ আমদেদ, হে পুণ্যবান নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ! হে নেক সন্তান! আমি জিবরাঈল (আ) কে জিজ্ঞাসা করলামঃ ইনি কে? তিনি বললেনঃ ইনি আদম (আ)। আর তাঁর ডানে ও বায়ে তাঁর সন্তানদের রুহ। ডান দিকের লোকেরা জান্নাতী আর বা দিকের লোকেরা জাহান্নামী। এজন্য তিনি ডান দিকে তাকালে হাসেন আর বাঁ দিকে তাকালে কাঁধেন। তারপর জিবরাঈল (আ) আমাকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় আকাশে উঠলেন। সেখানে উঠে রক্ষক কে বললেনঃ দরযা খোল। তখন রক্ষক প্রথম আসমানের রক্ষকের অনুরুপ প্রশ্ন করলেন। তারপর দরযা খুলে দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেনঃ এরপর আবূ যার বলেনঃ তিনি (নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম )আসমানসমূহে আদম (আ), ঈদরীস (আ), মূসা (আ), ঈসা (আ), ও ইবরাহীম (আ)-কে পেলেন। আবূ যার (রাঃ) তাঁদের অবস্থান নির্দিষ্ট ভাবে বলেন নি। কেবল এতটুকু বলেছেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদম (আ)-কে প্রথম আসমানে এবং ইবরাহীম (আ)-কে ষষ্ট আসমানে পেয়েছেন। আনাস (রাঃ) বলেনঃ যখন জিবরাঈল (আ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –কে ইদরীস (আ) এর পাশ দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন ঈদরীস (আ) বললেনঃ খোশ আমদেদ! পুণ্যবান নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও নেক ভাই! আমি জিজ্ঞাসা করলাম ইনি কে? জিবরাঈল (আ) বললেনঃ ইনি ঈদরীস (আ)। তারপর আমি মূসা (আ) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তিনি বললেনঃ খোশ আমদেদ! পুণ্যবান রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও নেক ভাই। আমি বললাম ইনি কে? জিবরাঈল আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ মূসা (আ)। তারপর আমি ঈসা (আ) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তিনি বললেনঃ খোশ আমদেদ! পুণ্যবান রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও নেক ভাই। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ইনি কে? জিবরাঈল আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ ইনি ঈসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তারপর ইবরাহীম (আ) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তিনি বললেনঃ খোশ আমদেদ! পুণ্যবান নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও নেক সন্তান। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ইনি কে? জিবরাঈল আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ ইনি ইবরাহীম আলাইহি ওয়া সাল্লাম। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন যে, ইবনু হাযম আমাকে খবর দিয়েছেন ইবনু আব্বাস ও আবূ হাব্বা আনসারী (রহঃ) উভয়ে বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তারপর আমাকে আরো উপরে উঠানো হল, আমি এমন এক সমতল স্থানে উপনীত হলাম, যেখান থেকে কলমের লেখার শব্দ শুনতে পেলাম। ইবনু হাযম (রহঃ) ও আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তারপর আল্লাহ তা’আলা আমার উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করে দিলেন। আমি এ নিয়ে প্রত্যাবর্তনকালে যখন মূসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন মূসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ আপনার উম্মতের উপর আল্লাহ কি ফরয করেছেন? আমি বল্লামঃ পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। তিনি বললেনঃ আপনি আপনার রবের কাছে ফিরে যান। কারণ আপনার উম্মত তা আদায় করতে সক্ষম হবে না। আমি ফিরে গেলাম। আল্লাহ পাক কিছু অংশ কমিয়ে দিলেন। আমি মূসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে আবার গেলাম আর বল্লামঃ কিছু অংশ কমিয়ে দিয়েছেন। তিনি বললেনঃ আপনি আবার আপনার রবের কাছে যান। কারণ আপনার উম্মত এও আদায় করতে সক্ষম হবে না। আমি ফিরে গেলাম। তখন আরো কিছু অংশ কমিয়ে দেওয়া হল। আবার মূসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে গেলাম, এবারো তিনি বললেনঃ আপনি আবার আপনার রবের কাছে যান। কারণ আপনার উম্মত এও আদায় করতে সক্ষম হবে না। তখন আমি আবার গেলাম, তখন আল্লাহ বললেনঃ এই পাঁচই (সওয়াবের দিক দিয়ে) পঞ্চাশ (গণ্য হবে)। আমার কথার কোন পরিবর্তন নেই। আমি আবার মূসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর কাছে আসলে তিনি আমাকে আবারো বলললেনঃ আপনার রবের কাছে আবার যান। আমি বললামঃ আবার আমার রবের কাছে যেতে আমি লজ্জাবোধ করছি। তারপর জিবরাঈল আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত নিয়ে গেলেন। আর তখন তা বিভিন্ন রঙে ঢাকা ছিল, যার তাৎপর্য আমার জানাছিল না। তারপর আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়া হল। আমি দেখলাম তাতে মুক্তার হার রয়েছে আর তাঁর মাটি কস্তুরি।
রাসুল (সাঃ) বলেন
রাসুল (সাঃ) বলেন-
"উমার রাঃ থেকে বর্ণিত, রাসূল
সাঃ ইরশাদ করেছেন-যখনই কোন
পুরুষ পর নারীর
সাথে নির্জনতা অবলম্বন করে তখনই
শয়তান সেখানে তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে উপস্থিত হয়।
[সুনানে তিরমিযী, হাদিস
নং-২১৬৫, সহীহ ইবনে হিব্বান,
হাদিস নং-৫৫৮৬]
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৫
হিন্দু ধর্মের গোপন তথ্য
হিন্দু ধর্মের গোপন তথ্য।হিন্দু
গ্রন্থে হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর পরিচয়
ও হিন্দু সম্প্রদায়কে ইসলাম গ্রহনের
নির্দেশ।
#######################
এ জন্যই তো
যুগে যুগে বহু সত্য
সন্ধানী শিক্ষিত
হিন্দু , ইসলাম গ্রহন
করেন।
কল্কি অবতারে
শেষ নবীর নামঃ
নরাশংস।(আহমদ)
পিতার নামঃ বিষ্ণুযশ।
মাতার নামঃ সুমতি ।
জন্মস্থলঃ সম্ভল ।
জন্মতারিখঃ মাধব
মাসের
শুক্ল পক্ষের দ্বাদশ
তারিখ ।
¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤ ¤¤¤
এবার উপরের
পরিচয়টা যে হযরত
মুহাম্মদ
সাঃ এর সেটা দেখুন ।
নাম-
সংস্কৃতেঃ নরাসংশ =
অর্থঃ প্রশংসিত
(বেদঋগ্বেদ ১-১৮-৯)
আরবীতেঃ মুহাম্মদ=
অর্থঃ প্রশংসিত ।
(কুরঅন ৪৮-২৯, ৩৩-৪০)
এবং আহমদ শব্দ
বেদঋগ্বেদে ৮-৬-১০ ,
ও কুরআনে ৬১-৬ ।
পিতার নামঃ
সংস্কৃতেঃ বিষ্ণুযশ=অর্থঃ প্রভুর
দাশ ,
(শ্রীমদ্ভাগবত
মহাপুরান ১-৩-২৫)
আরবীতেঃ আবদুল্লাহ
= অর্থঃ প্রভুর
দাশ
মাতার নামঃ
সংস্কৃতেঃ সুমতি=অর্থঃ শান্তি (কল্কি পুরান
১-৪)
,
আরবীতেঃ আমিনা=অর্থঃ শান্তি ।
জন্মস্থানঃ সংস্কৃতেঃ সম্ভল=অর্থ
শান্তির ঘর
(শ্রীমদ্ভগবত
মহাপুরান ১২-২-১৮)
আরবীতেঃ দারুল
আমান=অর্থঃ শান্তির
ঘর ।
মক্কাকে বালাদুল
আমিন অর্থ
শান্তির শহরও
বলা হয় ।
জন্ম তারিখঃ মাধব
মাসের শুক্ল
পক্ষের
দ্বাদশ তারিখ
জন্ম গ্রহণ করবেন ।
অর্থাত বৈশাখ
মাসের (শুক্লপক্ষ)
প্রথম অংশে ১২
তারিখে জন্ম
গ্রহণ করবেন ।
কল্কিপুরান
১-২-১৫
বিক্রমী ক্যালেন্ডারে বৈশাখ
মাসকে বসন্ত কাল
বলে ।
আরবীতেঃ রবি অর্থ=
বসন্ত ,আওয়াল অর্থ=
প্রথম অংশ ।
একত্রে রবিউল
আওয়াল
অর্থঃ বসন্তের প্রথম
অংশ । দ্বাদশ
অর্থ ১২ ।
প্রশিদ্ধ
মতানুযায়ী ১২ রবিউল
আওয়ালে হযরত
মুহাম্মদ সাঃ জন্ম
গ্রহন
করেছেন । ¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤
¤¤¤ ¤
¤¤
এবার দেখুন ইসলাম
গ্রহনের জন্য
আদেশঃ কল্কি অবতারের
২৩ পৃষ্ঠায়
বলা হয়েছে,
" লা ইলাহা হরতি পাপম্
ইলইলাহা পরম
পাদম্ ,
জন্ম বৈকুন্ঠ অপ
ইনুতি ত জপি নাম
মুহাম্মদ"
অর্থঃ আল্লাহ এর
আশ্রয় ব্যতিত
পাপ
মুক্তির কোন উপায়
নেই । আল্লাহর
আশ্রয়
প্রকৃত
আশ্রয় । স্বর্গ পাওয়া .
প্রভুর
পরিচয়
লাভ
এবং ক্ষমা পেতে হলে মুহাম্মদ
সাঃ কেই মানতে হবে ।
বৈকুন্ঠে জন্মলাভের
আশা করলে তার
আশ্রয় ব্তিত অন্য
কোন উপায় নেই
। এজন্য
মুহাম্মদ সাঃ এর
প্রদর্শিত
পথে অনুসন্ধান
অপরিহার্য ।
(মোটকথা ইসলামে দিক্ষিত
হতে হবে । )
¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤ ¤¤¤
এবার দেখুন হিন্দু
শাস্ত্রে আল্লাহ ,
মুহাম্মদ , রসূল শব্দ
যোগে শ্লোক ।
"হোতার
মিন্দ্রো হোতার
মিন্দ্রো মহাসুরিন্দ্রবোঃ
,
অল্লো, জ্যেষ্টং ,
পরমং , পূর্ণং ,
ব্রক্ষণং অল্লাম ।
অল্লো রসূল মুহাম্মদ
রকং বরস্য
অল্লো-
অল্লাম ।
আদাল্লং বুক
মেকং অল্লা বুকংল্লান
লিখাতকম । "
অর্থঃ অল্লোপণিষদ
দেবতাদের
রাজা আল্লাহ আদি ও
সকলের বড়
ইন্দ্রের
গুরু । আল্লাহ পূর্ণ
ব্রহ্ম , মুহাম্মদ
আল্লাহর
রসূল । পরম বরণীয়
আল্লাহই । তাঁর
অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আর
কেউ নেই ।
আল্লাহ
অক্ষয় ,
অব্যয় , স্বয়ম্ভু ।
¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤ ¤¤¤
এছাড়া আরো তথ্য
আছে যা সত্য
সন্ধানীদেরকে ইসলাম
গ্রহনের জন্য
আহ্বান করে ।
পরিতাপের বিষয় হল ,
হিন্দু
সম্প্রদায়ের
ধর্মগুরুরা এগুলো সতর্কতার
সাথে লুকিয়ে রাখেন ।
এমন কি পাঠ
করা শ্রবণ
করা পর্যন্ত অনেক
ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ
করেছেন ।
যদি এগুলো সবার
হাতের নাগালে হত
অবিশ্যম্ভাবী ভাবে হিন্দু
জাতি শুধু
ইতিহাসে থাকত ।
তথ্য গুলো সংগ্রহ
করা হয়েছে শ্রী রমন
কুমার
রায় ।
পিতাঃ শ্রী পরেশ
কুমার রায় ।
বর্তমান নাম
মাহফুজূর রহমান এর
বই
থেকে যিনি ইতিপূর্বে এক
ঠাকুরের
ছেলে হয়েও ঠাকুরের
পদ পদতলে পিষ্ট
করে কঠিন
ঈমানী পরিক্ষায়
উত্তীর্ণ
হয়ে এখন একজন
গর্বিত মুসলিম ।
নিশ্চয় আল্লাহর
কাছে একমাত্র
মনোনীত
দ্বীন হচ্ছে ইসলাম।
*****★সবাইকে শেয়ার করার অনুুরোধ
করছি, যাহাতে আপনার
ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা হিন্দু
ধর্মালম্বিরাও পড়তে পারে ।
Continue reading...
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৫
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)